হিসাব করুন নির্দিষ্ট বহরের কাপড়ের থান থেকে পাঞ্জাবি, পায়জামা বা কামিজ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় গজ, কাটিং লেআউট ও অবশিষ্ট কাপড়ের হিসাব।
কাপড় কাটিং ক্যালকুলেটর বাংলাদেশের টেইলারিং শপ, পোশাক প্রস্তুতকারক ও কাটিং মাস্টারদের জন্য নির্দিষ্ট বহরের (৩৬ ইঞ্চি একপাট, ৪৪ ইঞ্চি দেড়পাট বা ৫৪ ইঞ্চি বড় বহর) কাপড়ের রোল থেকে পাঞ্জাবি, পায়জামা, কামিজ বা শার্ট কাটার সময় নিখুঁত গজের হিসাব ও অপচয় বিশ্লেষণ করে। কাটিং প্যাটার্নে সঠিক সিম অ্যালাউন্স (সেলাই মার্জিন) ও হাতা-কলার লেআউট বজায় রাখলে থান থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পোশাক প্রস্তুত করা যায়।
প্রকৌশল ও ঐতিহ্যবাহী রন্ধন/কৃষি অনুপাত অনুযায়ী ফলাফল গণনা করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত সূত্র ও গণিত
মোট গজ = পোশাকের সংখ্যা × (দৈর্ঘ্য + হাতার বরাদ্দ) / ৩৬ × বহর ফ্যাক্টর | থান সংখ্যা = মোট গজ / থানের দৈর্ঘ্য
কাটার জন্য মোট পোশাকের সংখ্যা লিখুন। পোশাকের ধরণ (পাঞ্জাবি, পায়জামা, কামিজ-সেলোয়ার বা শার্ট), কাপড়ের বহর (৩৬", ৪৪" বা ৫৪") এবং থানের মোট দৈর্ঘ্য (গজে) নির্বাচন করুন। ক্যালকুলেটর প্রতি পোশাকের জন্য প্রয়োজনীয় নিট গজ, মোট অর্ডারের জন্য প্রয়োজনীয় মোট গজ এবং একটি থান থেকে সর্বোচ্চ কত পিস কাটা সম্ভব তা গণনা করবে।
কাপড় কাটিং ক্যালকুলেটর বাংলাদেশের টেইলারিং শপ, পোশাক প্রস্তুতকারক ও কাটিং মাস্টারদের জন্য নির্দিষ্ট বহরের (৩৬ ইঞ্চি একপাট, ৪৪ ইঞ্চি দেড়পাট বা ৫৪ ইঞ্চি বড় বহর) কাপড়ের রোল থেকে পাঞ্জাবি, পায়জামা, কামিজ বা শার্ট কাটার সময় নিখুঁত গজের হিসাব ও অপচয় বিশ্লেষণ করে। কাটিং প্যাটার্নে সঠিক সিম অ্যালাউন্স (সেলাই মার্জিন) ও হাতা-কলার লেআউট বজায় রাখলে থান থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পোশাক প্রস্তুত করা যায়।
১০ পিস স্ট্যান্ডার্ড পাঞ্জাবির (লম্বা ৪১ ইঞ্চি) জন্য: ৩৬ ইঞ্চি বহরের কাপড়ে প্রতি পাঞ্জাবিতে প্রায় ২.৭৫ গজ কাপড় লাগে। ফলে ১০ পিস পাঞ্জাবিতে মোট ২৭.৫ গজ কাপড় প্রয়োজন হবে। একটি ৪০ গজের থান ব্যবহার করলে আপনি ১৪ পিস পাঞ্জাবি কাটতে পারবেন এবং অবশিষ্ট থাকবে প্রায় ১.৫ গজ কাপড়।
সুতি বা সুতি-মিক্স কাপড় কাটার আগে অবশ্যই পানি দিয়ে ভিজিয়ে শুকিয়ে নেওয়া (Shringkage Allowance) প্রয়োজন, কারণ সুতি কাপড় ধোয়ার পর লম্বায় ১–২ ইঞ্চি ছোট হয়ে যেতে পারে। একমুখী প্রিন্ট বা স্ট্রাইপ কাপড়ের ক্ষেত্রে কাপড় কাটার সময় প্যাটার্নের দিক বজায় রাখতে বাড়তি ৫% মার্জিন রাখা উচিত।
তথ্যসূত্র ও মানদণ্ড: বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTEX) গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং ম্যানুয়াল, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ড্রেসমেকিং ট্রেড গাইড।
Every formula on WebChatKit is documented with its mathematical derivation, unit constraints, and practical trade tolerances. Calculations are verified against recognized standards (such as ASTM, ISO, NEC, JIS, and Eurocodes) by our technical team. If you find an edge-case or formula variance, please submit a calculation review for immediate editorial audit.
৩৬ ইঞ্চি বহরকে লোকাল ভাষায় "একপাট বহর" বলা হয়, যেখানে কাপড়ের চওড়া ৩ ফুট। ৪৪ ইঞ্চি বহরকে "দেড়পাট বহর" বলা হয়, যা বেশি চওড়া হওয়ায় বডি ও হাতা পাশাপাশি কেটে কাপড়ের অপচয় কমানো যায়।
১ গজ সমান ঠিক ৩৬ ইঞ্চি বা ৯১.৪৪ সেন্টিমিটার (০.৯১৪৪ মিটার)।
৩৬ ইঞ্চি বহরের কাপড়ে প্রায় ২.৭৫ থেকে ৩.০ গজ এবং ৪৪ ইঞ্চি বহরের কাপড়ে প্রায় ২.২৫ থেকে ২.৫ গজ কাপড়ে একটি মানসম্মত পাঞ্জাবি তৈরি করা যায়।
সাইড সেলাইয়ের জন্য সাধারণত ১ থেকে ১.৫ ইঞ্চি এবং শোল্ডার বা বগলের রাউন্ড কাটিংয়ে ০.৫ ইঞ্চি সেলাই মার্জিন রাখা আদর্শ।
কাপড়ের কিনার বা সেলভেজের সমান্তরাল লম্বা সুতা হলো ওয়ার্প (টানা), এবং আড়াআড়ি সুতা হলো ওয়েফ্ট (বানা)। সবসময় পোশাকের ঝুল ওয়ার্পের দিকে কাটতে হয়।
৩৮–৪০ ইঞ্চি লম্বা সাধারণ পায়জামার জন্য ৩৬ ইঞ্চি বহরের কাপড়ে সাধারণত ২.২৫ গজ এবং ৪৪ ইঞ্চি বহরে প্রায় ২.০ গজ কাপড় প্রয়োজন হয়।
চেক বা স্ট্রাইপ কাপড়ে সামনের পাটা ও পকেটের নকশা এক লাইনে মেলানোর (Pattern Matching) জন্য কাটিংয়ের সময় বাড়তি ১০%–১৫% কাপড় অপচয় হয়।
মার্কার হলো বড় কাগজের ওপর সব প্যাটার্ন সাজিয়ে কাপড়ের সর্বনিম্ন অপচয় নিশ্চিত করার একটি নীল নকশা, যা কাপড়ের ব্যবহারযোগ্যতা ৮৫%–৯০% পর্যন্ত বাড়ায়।
ইস্ত্রি করলে কাপড়ের ভাঁজ ও কুঁচকানো সোজা হয়ে যায়, ফলে মাপ ও কাঁচির কাটিং একেবারে নিখুঁত ও সমান্তরাল হয়।
৩৬ ইঞ্চি বহরের ক্ষেত্রে সাধারণত ৪.৫ থেকে ৫.০ গজ এবং ৪৪ ইঞ্চি বহরের কাপড়ে প্রায় ৩.৫ থেকে ৪.০ গজ কাপড়ে পুরো সেট তৈরি করা যায়।